পরীক্ষার খাতায় ভালো নম্বর এবং পরীক্ষার সময় করণীয়

Please log in or register to like posts.
News

পরীক্ষার সময় করণীয়

পরীক্ষা দেওয়ার সময় মাথা ঠান্ডা রেখে পরীক্ষা দিতে হবে। সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে (যদিও আমি নিজেই এই কাজটি ঠিকভাবে করতে পারতামনা, তাই খুব একটা ভালো রেজাল্ট করতে পারিনি)।

পরীক্ষার হলে প্রশ্ন দেখে ঘাবড়ে যাওয়া যাবে না

আগে থেকেই সবকিছু প্রস্তুত রাখ

নিজের সাথে প্রবেশ পত্র ও রেজিষ্ট্রেশন কার্ড ছাড়া আর কিছুই রাখবে না। এতে তুমি বিপদে পড়তে পারো। এমনকি পূর্ববর্তী পরীক্ষার প্রশ্নও সাথে রাখা যাবেনা।

সাথে ঘড়ি রাখতে হবে। কারণ, পরীক্ষার হলে সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সময়মাফিক সবকিছু করতে হয়। তাই একটা ঘড়ি সাথে থাকলে সেটি তোমার সময় মেইনটেইন করতে খুব সাহায্য করবে। আশা করি সবাই পরীক্ষার সময় করণীয় বিষয়গুলো মেনে চলবে।

প্রশ্নপত্র ভালোভাবে পড়া: 

পরীক্ষার সময় ধৈর্য সহকারে প্রশ্নের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে ফেলো। অনেক শিক্ষার্থীরই অভ্যাস পুরো প্রশ্ন না পড়েই উত্তর করা শুরু করা। সময় বেশি লাগলেও  ধৈর্য সহকারে কাজ কর। প্রশ্নে যে রকম চেয়েছে তাই বুঝিয়ে লেখার চেষ্টা করো। উত্তর উপস্থাপনের সময় প্রশ্নের সাথে প্রসাঙ্গিক উত্তর করার চেষ্টা করো। অযথাই এক কথা বারবার লিখে উত্তর অপ্রাসঙ্গিক করলেও নাম্বার তেমন আসে না! তাই খেয়াল রাখো প্রশ্নে কী চেয়েছে ।

পরিষ্কার হাতের লেখা:  

হাতের লেখা ভালো হতে হবে এমন কোন কথা নেই। তবে হাতের লেখা পরিষ্কার হতে হবে। বাংলায় একটি প্রবাদ আছে, আগে দর্শনধারী পরে গুণবিচারী  অর্থাৎ প্রথমে দর্শনে ভালো হতে হবে পরে গুণের বিচার করা হবে। আর তাই পরীক্ষার খাতায় হাতের লেখা ভালো হলে পরীক্ষকের একটা আলাদা আকর্ষণ তৈরি হয়। সর্বোপরি, সুন্দর ও স্পষ্ট হাতের লেখা পরীক্ষার্থীর সম্পর্কে একটা ইতিবাচক ধারণা তৈরী করে যার প্রভাব সম্পূর্ণ খাতার উপরেই পড়ে। কাটা-ছেঁড়া কম করার চেষ্টা করবে, কাটা গেলে একটান দিয়ে কাটবে।

ভুল হলে শিক্ষককে জানাও

কোন কিছু ভুল হলে অবশ্যই সেটি দায়িত্বরত হল গার্ড শিক্ষককে জানাতে হবে। নিজে থেকে ভুল ঠিক করতে যাওয়া বোকামি। শিক্ষকদের জানালে তারাই সেটার সমাধান দিবেন। তারা এ ব্যাপারে অভিজ্ঞ।

প্যারা করে লেখা: 

উত্তরপত্রে লেখা উপস্থাপনের ক্ষেত্রে আরেকটি দিক খেয়াল রেখে উত্তর করা যেতে পারে, তা হল প্যারা করে লেখা। প্যারা করে লিখলে একই সাথে তোমার উপস্থাপিত তথ্য ভালোভাবে শিক্ষকের চোখে পড়ে এবং তোমার উপস্থাপিত তথ্যও সুস্পষ্টভাবে দৃষ্টিগোচর হয়। উত্তর লেখার সময় পয়েন্ট সহকারে প্যারা করে লিখতে হবে আর খেয়াল রাখতে হবে উভয় প্যারার মাঝে দূরত্ব লাইনের মধ্যবর্তী দূরত্বের দ্বিগুণ হবে।  

আত্মবিশ্বাস: 

পরীক্ষার হলে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি তা হল আত্মবিশ্বাস। পরীক্ষার আগে তুমি যা যা পড়েছো তা সঠিকভাবে খাতায় উপস্থাপন করে আসাটাই মাথায় রাখবে শুধু। আর কিছু নয়! যা শিখে গেলে তা যদি অতিরিক্ত টেনশনে ভুলে গিয়ে লিখে দিয়ে আসতে না পারো তাহলে লাভ নেই। পড়াশোনা আর পরীক্ষা শব্দ দুটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একটিকে ছাড়িয়ে আরেকটি কল্পনা করা যায় না। পরীক্ষার হলে প্রশ্ন দেখে ঘাবড়ে যাওয়া যাবে না। আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে।

 আর পরীক্ষার হলে একটু সচেতন থাকলে আর যা কিছু পড়েছো তা ভালভাবে পরীক্ষার খাতায় লিখে আসতে পারলে আশানুরূপ ফলাফল পাবে আশা করা যায়।

এই পোস্ট সম্পর্কে আপনার কোনো মন্তব্য, পরামর্শ বা অভিযোগ থাকলে নিছে কমেন্ট করুন। আমরা প্রত্যেকটা কমেন্টের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করি। প্রতিদিন এমন পরামর্শ এবং টিপস পেতে অবশ্যই এভাবেই ডট কম ভিজিট করবেন ।

Leave a Reply